শুভ মহালয়া · ১৪৩৩১০ অক্টোবর ২০২৬ ✦ কাছাড়, অসমমা আসছেন…
শরতের কাশবন, ঢাকি ও সোনালি মুকুটে মা দুর্গা
Kalpajyoti Foundation
GARIGet A Ride India

in association with KalpajyotiPresents

কাশবনে আগমনী

মা আসছেন

চলো যাই কাশবনে

শীঘ্রই আসছে সকাল ৬ ঘটিকা হইতে
কাশবন, NH-27 · কাছাড়, অসমSCROLL TO DISCOVER ↓
THE WAIT FOR HER HOMECOMING

আর ক’দিনের অপেক্ষা…

মায়ের ঘরে ফেরার প্রতীক্ষায়

০০দিন
০০ঘণ্টা
০০মিনিট
০০সেকেন্ড

মহালয়ার প্রাণ

মহালয়া মানেই আগমনী

মহালয়া শুধু একটি তিথি নয়।এ অপেক্ষার দিন, এ আবেগের দিন—এ উমার ঘরে ফেরার দিন।

দেবীপক্ষের সূচনায় বাঙালির মন জেগে ওঠে এক চিরন্তন অনুভূতিতে—মা আসছেন। কৈলাস থেকে উমা আসছেন তাঁর পিতৃগৃহে।

শরতের নীল আকাশ, সাদা কাশফুল, শিউলিভেজা সকাল আর আগমনীর সুর—সব মিলিয়ে প্রকৃতি যেন তাঁকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত।

মা আসছেন…তাই শরৎও আজ সেজে উঠেছে।

সোনালি মুকুট ও অলংকারে সজ্জিত হাসিমুখের উমা
পার্বতী · দুর্গা · উমাপর্বতরাজ হিমালয়ের কন্যা

উমা — ঘরের মেয়ে

শুধু দেবী নন — উমা আমাদের ঘরের মেয়ে

উমা — মেয়ের মতো আপন

পার্বতী, দুর্গা, অম্বা, কালী—শক্তির নানা রূপে দেবী পূজিতা। কিন্তু বাঙালির হৃদয়ে দেবীর রয়েছে এক বিশেষ পরিচয়।

তিনি উমা।

তিনি শুধু দেবী নন—তিনি পর্বতরাজ হিমালয়ের কন্যা। মহাদেবের সঙ্গে বিবাহের পর কৈলাস তাঁর সংসার; তবু শরৎ এলেই বাঙালির কল্পনায় তিনি ফিরে আসেন বাবা-মায়ের ঘরে।

এই ফিরে আসার মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাঙালির সবচেয়ে মানবিক দেবীভাবনা—

দেবীকে দূরে নয়, ঘরের মেয়ে করে দেখা।

এ শুধু উৎসব নয়—
এ আমাদের ঘরে ফেরার গল্প।

চণ্ডীপুরাণের আখ্যান

উমার ফিরে আসা

পর্বতরাজের ঘরে উমার আগমন

হিন্দু বাঙালির পুরাণ-কল্পনায় হিমালয়রাজ, অর্থাৎ পর্বতরাজ, উমার পিতা হিসেবে পরিচিত।

মহাদেব শিবের সঙ্গে উমার বিবাহ হয়, বিবাহের পর তাঁর ঠিকানা কৈলাস। কিন্তু পিতৃগৃহের প্রতি কন্যার টান কখনও ফুরোয় না।

তাই বাঙালির লোকবিশ্বাসে, শরতের এই সময়ে উমা তাঁর সন্তানদের নিয়ে ফিরে আসেন পিতৃগৃহে। এই আগমনকে ঘিরেই শুরু হয় আনন্দ, বরণ, গান, পূজা আর উৎসব।

॥ শ্লোক ॥

যা দেবী সর্বভূতেষু শক্তিরূপেণ সংস্থিতা।নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ॥

— শ্রীশ্রীচণ্ডী

এক বছরের অপেক্ষার পর,
মেয়ে আবার বাড়ি ফেরে।

  1. পুরাণের আখ্যান
  2. লোকবিশ্বাস
  3. বাঙালির আবেগ
  4. মহালয়ার আগমনী
শরতের বাস্তব নীল আকাশ ও সাদা মেঘের নিচে কাশফুলের মাঠ

শরতের সাজ

কাশফুল প্রকৃতির আগমনী

শরৎ এলেই
কাশফুল দোলে।

সাদা কাশের ঢেউ যেন প্রকৃতির নিজের হাতে আঁকা আলপনা।

নীল আকাশের নীচে সাদা কাশবন—বাঙালির কাছে এই দৃশ্য শুধু ঋতুবদলের ছবি নয়।

এ যেন মায়ের আগমনের সংকেত।

শরৎ

নীল আকাশ, সাদা মেঘ

কাশবন

সাদায় সাদায় আগমনীর সাজ

মহালয়া

মায়ের আগমনের প্রতীক্ষা

কাশ দুলছে…
মা আসছেন।

কাশফুলে ঘেরা বাঁকানো মহাসড়ক, সবুজ গাছ ও দূরের নীল পাহাড়
শিলচর–সৌরাষ্ট্র মহাসড়ক · কাশবন

কেন এই আয়োজন

কেন ‘কাশবনে আগমনী’?

আজকের দিনে মহালয়ার বহু আয়োজন শহরের প্রেক্ষাপট আর চার দেওয়ালের গণ্ডিতে আবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অথচ মহালয়ার প্রকৃত আবহ অনুভব করা যায় প্রকৃতির মাঝেই।

তাই ‘কাশবনে আগমনী’-র ভাবনা—মহালয়াকে আবার প্রকৃতির কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া।

যেখানে থাকবে—

কাশফুলের দোলা

আগমনীর সুর

শরতের সকাল

পুরাণের কথা

বাংলার সংস্কৃতি

মানুষের মিলন

নীল আকাশ, সোনালি ভোরের মেঘ আর দূরের পাহাড়ের সামনে সাদা কাশবন
A LITTLE CLOSER TO NATURE. A LITTLE CLOSER TO HOME.

কাশ দুলছে…মা আসছেন।

যেখানে সংস্কৃতি আর প্রকৃতি একসঙ্গে গল্প বলে।

এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়—এটি একটি অনুভূতি।

অনুষ্ঠানসূচি

কাশবনেসেই সকাল।

ভোরের প্রথম আলো থেকে দিনের শেষ শুভেচ্ছা—প্রতিটি মুহূর্তে থাকুক আগমনীর ছোঁয়া।

১০
অক্টোবর ২০২৬শনিবার · সকাল ৬টা – বিকেল ৫টা
৬:০০সকাল
WELCOME

আগমন ও স্বাগত

অতিথি ও দর্শনার্থীদের আগমন, প্রকৃতির মাঝে ভোরের আবহ।

৮:৩০সকাল
AGOMONI

আগমনী পর্ব

মহালয়া, উমা ও দেবীপক্ষের ভাবনায় বিশেষ উপস্থাপনা।

৯:০০সকাল
CULTURE

সাংস্কৃতিক পরিবেশনা

আগমনী গান · ভক্তিগীতি · আবৃত্তি · নৃত্য

১০:৩০সকাল
OUR ROOTS

ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির কথা

উমার আগমন, বাঙালির মহালয়া ও ঐতিহ্যের গল্প।

১১:০০সকাল
TOGETHER

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন

স্থানীয় শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ।

৫:০০বিকেল
UNTIL NEXT TIME

শুভ দেবীপক্ষের শুভেচ্ছা

শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।

আগামীর স্বপ্ন

আজকের আয়োজন, আগামীর ঐতিহ্য

একটি সকাল থেকে একটি ঐতিহ্য

কাশবনে আগমনী-র দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য—এই আয়োজনকে একটি বার্ষিক সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

এমন এক আয়োজন—

  • যার জন্য প্রতি শরতে মানুষ অপেক্ষা করে থাকবে।
  • যেখানে কাশফুলের মরসুম মানেই মহালয়ার আগমনী।
  • যেখানে কাছাড় তথা বরাক উপত্যকার মানুষ সপরিবারে আসবেন।
  • যেখানে সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও স্থানীয় পর্যটন একসঙ্গে জায়গা করে নেবে।

✦ সাদর আমন্ত্রণ ✦

মা আসছেন কাশবনে

মহাসড়কের ধারে কাশবনে মহালয়ার এই পুণ্য প্রভাতে
আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।

আসুন, সবাই মিলে মাকে বরণ করি।

১০ অক্টোবর ২০২৬ · সকাল ৬:০০টা – বিকেল ৫:০০টা

কাশবন, শিলচর–সৌরাষ্ট্র মহাসড়ক
সঠিক মিলনস্থল জানতে আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
একসাথে এই পথচলা
পরিবেশনায়GARI — Get A Ride India
সহযোগিতায়কল্পজ্যোতিকল্পজ্যোতি
ফাউন্ডেশন

কাশবনে আগমনী

ঢাকের সুর শুনবেন?

ঢাকের তালে শুরু হোক আগমনীর পথচলা।